কর্মসূচিতে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম দিবস পালন নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা তুঙ্গে। এই কর্মসূচিতে উত্তেজনাও তৈরি হয় । স্থানীয় সূত্রের খবর, গোকুলনগরে শহিদ বেদি থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে মালা, এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। শহিদ কর্মসূচিকে ঘিরে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে সামিল দুই রাজনৈতিক দল। সোনাচূড়িতে মাল্যদানের বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আবহ। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের উত্তরাধিকার কার, তা নিয়ে তরজাও শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়,২০০৭ সালে আজকের দিনেই নন্দীগ্রামে গুলি চলে। এর পর থেকে এই দিনটি নন্দীগ্রাম দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। ভুমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি এটি পালন করলেও, নেতৃত্বে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস । পাশাপাশি এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তরণ ঘটে শুভেন্দু অধিকারীর । বর্তমানে তিনি নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। নন্দীগ্রাম দিবস পালনে তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধ প্রকাশ্যে আসে ।
এই কর্মসূচি পালনে উভয় রাজনৈতিক দলই নন্দীগ্রামের জমি ছাড়তে নারাজ। নন্দীগ্রামের শহীদ তর্পণ কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত হতে থাকে সেখানকার রাজনৈতিক আবহ। রাজ্য রাজনীতিতেও উত্তাপ বাড়তে থাকে । তৃণমূলের দলীয় সূত্রের খবর, নন্দীগ্রামে জোড়া কর্মসূচি গ্রহণ করে শাসকদল তৃণমূল। প্রথমটি গোকুলনগরের মালপল্লিতে। সেখানে শহীদ বেদীতে মাল্যদান। পরবর্তীতে গৌরাঙ্গের মুর্তিতে মাল্যদান করার পর হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব । সোনাচূড়ার ভাঙাবেড়ায় আরও একটি অনুষ্ঠানে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করে রাজনৈতিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তৃণমূলকে টক্কর দিতে আসরে গেরুয়া শিবিরও। নেতৃত্বে শুভেন্দু অধিকারী । বিজেপি নেতৃত্বও নন্দীগ্রামের বর্ষপূর্তিতে জোড়া রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলীয় সূত্রের খবর,প্রথমটি হবে অধিকারী পল্লিতে। দ্বিতীয়টি হবে সোনাচূড়ায়। দুটি অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণ করবেন বিরোধী দলনেতা। শহীদ বেদীতে মাল্যদান করার বিষয় নিয়ে ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম।
(ছবি: সংগৃহীত)

